খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দীন খান ও রেজিস্ট্রার মোঃ রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।
সভায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের উন্নয়ন, কর্মপরিবেশের মানোন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন, পদোন্নতি, আবাসন, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে নিজেদের মতামত ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন।
উপাচার্য তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং যৌক্তিক দাবিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং বলেন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, সুশাসিত ও গবেষণাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব।
উপাচার্য তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং যৌক্তিক দাবিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং বলেন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, সুশাসিত ও গবেষণাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে ডি-নথি প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রগতির বিভিন্ন উদ্যোগও প্রশাসনিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সভা শেষে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নবনিযুক্ত উপাচার্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্বে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


